ফেনীর ঈদ বাজারে ভীড় বাড়ছে

৪৪৯    0

eid market
ক’দিন পরেই মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ফেনী শহরের মার্কেট ও বিপনীবিতানগুলোতে কেনাবেচা জমে উঠছে। অন্যান্য বছর রমজান মাসের মাঝামাঝি থেকে ঈদের কেনাকাটা জমলেও এবার ১০ রমজান পার হতে না হতেই বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। উচ্চবিত্তরা মার্কেট আর নিম্নবিত্তরা রাজাঝি দীঘির পাড়ে দোকানগুলো থেকে কেনাকাটার জন্য বেছে নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার শহীদ হোসেন উদ্দিন বিপনী বিতান, গ্র্যান্ড হক টাওয়ার, এফ রহমান এসি মার্কেট, গ্রীন টাওয়ার, ফেনী সুপার মার্কেট, ফেনী প্লাজা, মহিপাল প্লাজা সহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ছেলেদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস এবং শিশুদের রকমারি পোশাকের সমারোহ। এজন্য কথা বলার সময় না থাকলেও ব্যবসায়ীদের মেজাজ বেশ ফুরফুরে। ক্রেতাদের মধ্যে নারী ও শিশুদের পরিমান বেশি। প্রতিবছর তরুনীদের জন্য নানা নামের পোশাক বের হলেও এবার তাতে তেমন হাঁকডাক কিংবা আকর্ষণ নেই। জর্জেট থ্রি-পিচ বিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা। বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস ১ হাজার থেকে শুরু করে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর শাড়ি ৮শ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং ছেলেদের পায়জামা-পাঞ্জাবি ১ হাজার ২শ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। এদিকে বরাবরের মত ভারতীয় কাপড় ও ভারতীয় ডিজাইনের তৈরি পোশাকের চাহিদা রয়েছে।
এছাড়া কাপড় তৈরি করে পরিধান করতে পছন্দ করে যারা তাদের চাহিদা মেটাতে দর্জিপাড়াও ব্যস্ত সময় পার করছে। ঈদের আগে কাজের কোনও অন্ত নেই তাদের। শহরের বিভিন্ন দর্জিপাড়ায় গিয়ে এমন চিত্রই লক্ষ্য করা গেছে।
এক ক্রেতা জানালেন, প্রতিবছর জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। এবারও পোশাকের দাম অতিরিক্ত বেশি মনে হচ্ছে।
এদিকে ঈদ বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান শুরু হওয়ায় অতিরিক্ত দামের ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা সতর্ক বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে গতকাল রাতে শহীদ হোসেন উদ্দিন বিপনী বিতান ও গ্র্যান্ড হক টাওয়ারের দুই ব্যবসায়ীর সাথে কথা হয়। তারা জানিয়েছেন, দোকানগুলোতে ক্রেতাদের রুচি ও ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে বিক্রেতারা পোশাকের সমাহার রাখছেন। এবার অতিরিক্ত দাম রাখার ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা আগের চেয়ে সতর্ক রয়েছে।

Leave A Reply