ফেনী সংবাদ
   দুপুর ১২:৪২;    বৃহস্পতিবার,    ২৪শে আগস্ট, ২০১৭ ইং;   ৯ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে চাহিদার বেশি মাছ উৎপাদন

৪৮৯    0

feni fish production
ফেনীর বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ে উৎপাদিত মাছ জেলার ছয় উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জেলার ২০ হাজার ৭শ ৬৪.৮০ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ২১ হাজার ৮শ ৮৩.৮৬ মেট্রিক টন।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারীভাবে ৪০.৯০ আয়তনের (হেক্টর) ১শ ১১টি পুকুর ও দীঘিতে ১শ ১৩.৯৩ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। বেসরকারীভাবে ৪ হাজার ২শ ৭০ হেক্টর জমিতে ৪৬হাজার ৫শ ৬০টি পুকুর ও দীঘিতে ১৩ হাজার ৭শ ৮৫.৩৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। ৯শ ৫৮.৫৭ হেক্টর জমিতে বেসরকারীভাবে ৩শ ১৩টি মৎস্য খামারে ৪ হাজার ৮শ ১১.০৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। ৪৪.৪৫ হেক্টর ধানের জমিতে ১৭৯ টি স্থানে ৫৪.০৭ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয় এবং ৬.৩১ হেক্টর ধানের জমিতে ৪৫ টি স্থানে ৩.১৫ মেট্রিক টন চিংড়ি মাছ উৎপাদন হয়। ৫৫.৭১ হেক্টর জমিতে ৩শ ৪টি স্থানে গলদা চিংড়ি মিশ্র চাষ করে ১১.৮২ মেট্রিক টন উৎপাদিত হয়। ২ হাজার ৫শ ৪২.৯২ হেক্টর জমিতে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ২৭টি স্থান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ১ হাজার ৫শ ৮৫.৮১ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এছাডাও ৩৩.৩১ হেক্টর জমিতে ১৭টি হ্যাচারী থেকে ২৩.৬১ মেট্রিক টন রেণু উৎপাদন হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র ঘোষ ফেনীর সময় কে বলেন, ফেনীতে মাছের চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। সম্প্রতি রোয়ানুর প্রভাবে সোনাগাজীতে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি না হলে মাছের উৎপাদন আরও বেড়ে যেতো। বিগত চার বছরে মৎস্য খাত থেকে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬.২২শতাংশ। যা জাতীয় আয়ের ৩.৫ ভাগ

Leave A Reply