ফুলগাজীর দৌলতপুরে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

২৯২    0

SHAFBD_1469441460

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে ফুলগাজী সদরের দৌলতপুর গ্রামসহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে। কিছুদিন আগের টানা বর্ষনে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে তৈরী হয়েছে বড় ফাটল। কয়েকটি জায়গায় পানির তোড়ে ভেসে গেছে সড়ক। ফলে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে ওই একমাত্র এলাকার যোগযোগ ব্যবস্থা। গ্রামবাসীরা মিলে ওইসব স্থানে সাময়িক সাঁকো তৈরী করে আপাতত যাতায়াত করলেও কমছেনা দুর্ভোগ। বিপাকে পড়েছে ওইসব অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা। রাস্তা না থাকায় অনেকে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। অনেকে পানিতে ভিজে পার হচ্ছে। সোমবার ফুলগাজীর দৌলতপুর, সাহাপাড়া ও ঘনিয়ামোড়া গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেল।

স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েক দিন আগে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাঢ়ী পানি ও ভারী বর্ষনে মুহরী নদীর বাধঁ ভেঙে দৌলতপুর, সাহাপাড়া, ঘনিয়ামোড়াসহ আশেপাশের গ্রামগুলে প্লাবিত হয়। এতে ওইসব গ্রামগুলোর বীজতলাসহ ডুবে যায় বাড়িঘর, ভেসে যায় পুকরের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকেরা। দৌলতপুর সড়কের রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা দেয়। দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী। যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে তাদের। দৌলতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দৌলতপুর নূরানী মাদ্রাসাসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা।

উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলিম পানি নেমে গেলে বাঁধ ও সড়ক মেরামত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে উপজেলা পরিষদ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকোশলী কহিনুর আলম জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা পরিদর্শন করেছেন। পানি কমলে নতুন বাঁধ নির্মানে দেরী করবেন না তারা। ইতোমধ্যে বাঁধ নির্মাণের বিভিন্ন উপকরণ নির্মান স্থানে আনা হচ্ছে। পানি কমলে তারা কাজ শুরু করবেন।

এলাকাবাসীরা জানান, প্রতি বছরে বন্যা হলেই ভেঙে যায় বাঁধ। তাই এ দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্থায়ী ও সুরক্ষিত বাঁধ নির্মানের দাবী করছেন তারা। তারা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ নয়, প্রতিবছর এ দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে চার তারা। এদিকে বাঁধ না থাকায় কয়েকদিনের বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামগুলো। আংশকায় দিন কাটাচ্ছেন ওইসব এলাকার বাসিন্দারা।

Leave A Reply