পরশুমের ইউএনওকে মারধর মামলার শুনানি পেছালো

২৮৬    0

uno-661x350
পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম রাকিবুল হায়দারকে মারধরের মামলার শুনানি পিছিয়েছে আদালত। সোমবার বিকালে দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক ফৌজদারী রিভিশন মামলায় দ্রুত বিচার আদালত থেকে নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে না পৌঁছায় এ আদেশ দেন।
আদালত সুত্র জানায়, সোমবার ধার্য তারিখে দ্রুত বিচার আদালত থেকে মামলার নথি জেলা জজ আদালতে না পৌঁছায় মামলার শুনানি করেননি দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক। পরে ১০ আগষ্ট মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে ১৪ জুন মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানীর দিন অভিযোগপত্র ভুক্ত আসামীদের পক্ষে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১/এ ধারার বিধান মতে মামলার অভিযোগের দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য দ্রুত বিচার আদালতে আবেদন করা হয়। ২১ জুন দ্রুত বিচার আদালত আসামীদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দিয়ে অভিযোগ গঠন করেন। এরপর আসামী পক্ষ ২৩ জুন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারী রিভিশন মামলা করেন। আদালত  ১৮ জুলাই শুনানীর দিন ধার্যক্রমে প্রতিপক্ষের প্রতি নোটিশ ইস্যু ও দ্রুত শেষে দ্রুত বিচার আদালত থেকে মামলার নথি তলব করে।

অপর দিকে গত ২৮ জুন ফেনীর দ্রুত বিচার আদালতের মামলার সাক্ষ্য গ্রহনের দিন মামলার ৮ জন আসামী সবাই উপস্থিত থাকলেও বাদী নিজেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ মামলার অভিযোগপত্র ভুক্ত ৮জন আসামীর সবাই জামিনে রয়েছেন।

১৬ মে পরশুরাম থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম চৌধুরী ওই মামলার আসামী জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি খায়রুল বাশার মজুমদার তপন, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, পরশুরাম পৌরসভার কাউন্সিলর ও উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আবদুল মান্নানসহ  ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গত ৬ মে ফেনীর পরশুরামের ধনিকুন্ডা রাস্তার মাথা নামক স্থানে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে সম্মান না করায় ইউএনওকে গাড়ী থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ইউএনওর গাড়ী চালক আবুল কাশেম বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী হিসাবে উল্লেখ করে দ্রুত বিচার আইনে পরশুরাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Leave A Reply